#লেখকঃ Fahim Sheikh(লাভ গুরু)
#পর্ব_১
ঢাকাবিশ্ববিদ্যালয়,,,,,,,,,
গেটের ভিতর দিয়ে সবাই নামি দামি পোশাক পরে ডুকছে শুধু একজন বাদে।
কারণ সে পড়েছে ফুটফাট থেকে কিনা একটা টি-শার্ট আর একটা প্যান্ট।। মাথায় চিপচিপ করে তেল দেওয়া।।।
আজকে কলেজে তার প্রথম দিন।।কলেজে ডুকতেই সবাই তাকে সবাই এমনভাবে দেখছে যে মনে হচ্ছে কোনো অন্যগ্রহের প্রানী।।লাগবেই না কেন বলুন।।
সে তো সবার মতো দামী পোশাক পড়ে নাই।।তাকে দেখতে একইবারে ক্ষেত লাগতাছে।।
সে এদিকে সেদিকে না তাকিয়ে সোজা ক্লাশে চলে গেল।।
তারপর সে সবার পিছনের ছিটে গিয়ে বসে পড়ে।।তার কোনো বন্ধুবান্ধব হয় নি কেউ।।কিভাবে হবে সে তো গরীব।।কিন্তু সে দেখতে খুবই সুন্দর।।
যে কেউ ক্রাশ খাবে।। তারপর তাদের ক্লাশে স্যার প্রবেশ করেন।।
আপনারা হয়তো ভাবছেন যে এখনো নায়ক-নায়িকার পরিচয় দিচ্ছি না কেন???
পরিচয় জানতে পাশেই থাকুন।।
স্যার সবার পরিচয় জানতে শুরু করছেন তখন একটা মেয়ে দরজায় দাঁড়িয়ে বলল-
মেয়েটা-may i come in,, sir........
স্যার-yes,,come in..why u r late to come class???
মেয়েটা-Sorry,,sir..
স্যার,-ওকে।।
অর্জিনাল লেখকের গল্প পড়তে পেজে লাইক করুন।।।।
https://www.facebook.com/osomapto.writer.fahim/
ভিতরে এসে গিয়ে নিজের ছিটে বস।তারপর মেয়েটি সামনের বেঞ্চে বসল।। স্যার আবার পরিচয় পর্ব শুরু করলেন।।একে একে সবার নাম,ঠিকানা জানতে শুরু করলেন।তারপর মেয়েটার কাছে তার পরিচয় জানতে চাইলেন।
তখন মেয়েটা বলল- আমার নাম সুরাইয়া আক্তার নিধি।।বাবার নাম-আজমল হোসেন,তিনি এই শহরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ীদের মধ্যে একজন।।আর মায়ের নাম-আয়েশা বেগম,তিনি গৃহিনী।।
ইনিই হলেন আমদের গল্পের নায়িকা সুরাইয়া আক্তার নিধি।।
সবার পরিচয় পর্ব শেষে স্যার লাস্ট বেঞ্চে বসা ছেলেটির কাছে চলে যায় তার পরিচয় জানতে।
তারপর সে বলল-আমার নাম ওমর ফারুক ফাহিম।(মানে এই আইডি আর লেখক) আর আমিই হলাম গল্পের নায়ক অর্জিনাল লেখকের গল্প পড়তে পেজে লাইক করুন।।।।
https://www.facebook.com/osomapto.writer.fahim/
তখন স্যার বলল-তাহলে পড়ালেখার খরচ কিভাবে চালবে।
আমি-স্যার আমি কাজ করি।। তাই আমার পড়ালেখার খরচের সমস্যা হবে না।
তারপর স্যার বললেন আজকে তোমাদের ক্লাস এতটুকুই।। এই বলে স্যার চলে গেলেন।।
তারপর একটা ছেলে আমার সাথে বন্ধুত্ব করতে।।। ছেলেটির নাম হলো সিয়াম।।তারপর সিয়াম আমাকে তার আরও দুই বন্ধুর সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়।।তাদের একজনের নাম সুমন,আরেকজনের নাম সিয়াম।।
তারা তিনজনই মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান।।তারপর ক্লাশ শেষ করে বাসার উদ্দেশ্যে চলে আসি।।সিয়ামরাও আমার সাথে আসে আমাকে এগিয়ে দেওয়ার জন্য।।।আমি আমার বাসার গলি পর্যন্ত তাদের সাথে আসি।।।
তারপর বলি এখন আমি যেতে পরব সামনে ই আমার বাসা।।এখন তোরা তোদের বাসায় চলে যা।।কালকে এইখানেই দেখা হবে।।(ভাবছেন বন্ধুত্ব হল কিছু ঘন্টা হল আর এখন থেকেই তুই বলি,,আমি বলতে চাইনি সিয়াম কড়াভাবে বলেছে তাই বলছে।)
আপনাদের সাড়া পেলে নেক্সট পর্ব দিব নয়তো দিব না।।
সবাই নিয়মিত নামায আদায় করুন।।।
(বিঃদ্রঃ ভুলট্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন)
#ক্ষেত_যখন_বড়লোকের_ছেলে
#পর্ব_২
#Fahim_Sheikh(লাভ গুরু)
তারপর বাসায় গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নিলাম।।পরে কিছু খেয়ে নিলাম।।
মা এসে বললেন- বাবা তুই এইভাবে কেন চলাফেরা করিস।।তর কিসের অভাব।।টাকা, গাড়ি, বাড়ি সব তর আছে।।বাবা আমি বলি কি তর বাবার বয়স হয়েছে এখন তুই লেখাপড়ার পাশাপাশি অফিসও সামলা।।।
আমি-আমার এভাবেই চলাফেরা করতে ভালা লাগে।।যেদিন সময় সময় হবে সেদিন আমি না হয় তোমাদের ইচ্ছা মত চলব।।তোমরা আমাকে যেভাবে দেখতে চেয়েছ সেভাবেই।।আর আমি পড়ালেখা শেষ পর অফিস জয়েন করব।।করার আগে আমি বাবাকে অবশ্যই জানাব।।
তারপর চলে গেলাম একটু বিশ্রাম নিতে কিন্তু ঘুম আসছে না।কারণ জানতে হলে ফ্লাশব্যাকে যেতে হবে।।কালকে ক্লাশে যে মেয়েটি আসেছিল তাকে দেখে আমি ক্রাশ খাই।।বলতে গেলে প্রেমে পড়ে যাই।।তাই সারাক্ষণ তার কথা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে।। যার ফলে ঘুম আসছে না।।
পরেরদিন সকালে দেখি বাসার সামনে নতুন গাড়ি।। প্রথমে মনে করিছিলাম বাবা নিজের জন্য হয়তো কিনেছে।।তারপর হঠাৎই বাবা এসে বললেন যে গাড়িটা নাকি আমার জন্য কিনেছে।।
আমি বললাম- বাবা কিছু মনে করবেন না।।আমি এখন এই গাড়ি নিতে পারব না।।সময় হলে আমি এই।গাড়ি সময় হলেই আমি নিব।।
তাই আমি এখন যেরকম আছি সেরকমই থাকতে চাই।।
বাবাও আর কিছু বললেন না শুধু বললেন- আচ্ছা তর যখন মনে চায় তখন নিস।এইসবই তো তরই।।
তারপর আমি রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে কলেজের জন্য রেডি হয়ে নিই।।কিছু হালকা নাস্তা করে বের হয়ে যাই।।রাস্তার মোড়ে গিয়ে দেখি সিয়াম, সুমন,সিয়াম দাঁড়িয়ে আছে।।(সিয়াম দুইবার লেখছি বলে মনে করবেন না টাইপিং মিস্টেক, আমার সিয়াম নামে দুই বন্ধু আছে)
অর্জিনাল লেখকের গল্প পড়তে পেজে লাইক করুন।।।।
https://www.facebook.com/osomapto.writer.fahim/
তারপর তাদের সাথে কথা বলতে বলতে ভার্সিটি চলে আসি।।আসার পথে দেখি একটা মেয়ে একজন রিক্সাচালকের সাথে খারাপ আচরণ করছে।। তারপর আমরা সেখানে গিয়ে জানতে পারি নিধি রিক্সাচালকের রিক্সাসহ তার গাড়ি দিয়ে ধাক্কা মারে এবং লোকটার উপর চেঁচামিচি শুরু করে।। একপর্যায় নিধি লোকটাকে তার চিকিৎসার টাকা দেওয়ার বদলে ওনাকে চর মারতে যায়।।
আমার খুব রাগ উঠে যায় তখন আমি নিধিকে ঠাস,ঠাস,ঠাস তিনটা চর মারি।।তারপর বলি নিজে দোষ করে গরিব মানুষের উপর চাপাচ্ছ কেন??নিধি সেখান থেকে রাগে ফুসতে ফুসতে চলে যায়।।আমরাও আমাদের মতো ভার্সিটি চলে যায়।।
গিয়ে দেখি পুলিশ দাঁড়িয়ে আছে।। আমি ডুকার সাথে সাথেই আমাকে এরেস্ট করে।।তখন নিধি এসে বলে ছোটলোকের বাচ্চা তর সাহস কি করে হয় আমার গায়ে হাত তোলার।। যা এখন জেলের হাওয়া খা।।আমি কিছু বললাম না শুধু মুচকি হাসি দিয়ে সেখান থেকে পুলিশের সাথে চলে যাই।।
আর যাওয়ার সময় সিয়ামকে একটা নাম্বার দিলাম আর আমার মোবাইল দিয়ে বললাম কল করে শুধু এতোটুকু বলতে যে আমাকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে।।এটা বলার সাথে সাথে যেন কল কেটে দেয়।।
অর্জিনাল লেখকের গল্প পড়তে পেজে লাইক করুন।।।।
https://www.facebook.com/osomapto.writer.fahim/
তারাও সেইরকমই করল।।থানায় নেওয়ার পর আমাকে লকাবে নিয়ে যাওয়া হল।।।
কিছুক্ষণ পরই কিছু গাড়ির আওয়াজ শুনা গেল।।তারপর আমাকে লকাব থেকে বের করা হল।।
বের হয়ে দেখি বাবা আর দুলাভাই দাঁড়িয়ে আছে।।তখন দুলাভাই বলল-শালাবাবু তুমি ঠিক আছ তো।বাবারা যখন এসেছেন তখন পুলিশ অফিসার ছিলেন না।লাঞ্চ করতে গেছিলেন।। তারপর তিনি লাঞ্চ করে এসে দেখে আমি লকাবের বাইরে তখন তিনি হাবিলদারকে বলেন -এই ছেলেটা লকাবের বাইরে কেন???
বলার সাথে সাথেই তিনি পাশে তাকিয়ে দেখেন বাবা বসে বসে আছেন।।তিনি বাবাকে দেখে বলেন-
অফিসার-স্যার আপনি এখানে।। আজ আমার থানা ধন্য হল আপনার পায়ের ধুলোয়।।
আপনি কেন আসতে গেলেন আমাকে ডাকতেন আমিই আপনার কাছে চলে যেতাম দেখা করার জন্য।।
বাবা বললেন,,,,,,,,,,,,
আপনাদের সাড়া পেলে নেক্সট পর্ব দিব নয়তো দিব না।।
সবাই নিয়মিত নামায আদায় করুন।।।
(বিঃদ্রঃ ভুলট্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন)
#ক্ষেত_যখন_বড়লোকের_ছেলে
#পর্ব_৩
#লেখকঃFahim_Sheikh (লাভ গুরু)
বলার সাথে সাথেই তিনি পাশে তাকিয়ে দেখেন বাবা বসে বসে আছেন।।তিনি বাবাকে দেখে বলেন-
অফিসার-স্যার আপনি এখানে।। আজ আমার থানা ধন্য হল আপনার পায়ের ধুলোয়।।আপনি কেন আসতে গেলেন আমাকে ডাকতেন আমিই আপনার কাছে চলে যেতাম দেখা করার জন্য।।
বাবা বললেন- আসতে চাই নি কিন্তু আসতে হল।আপনি আজকে কাকে এনেছেন ধরে।।
তখন অফিসার আবার আমার দিকে আমার দিকে তাকিয়ে হাবিলদারকে বললেন-এই ছেলেকে এক্ষুনি লকাবে নিয়ে যাও।।(রাগী ভাবে)
তখন বাবা অফিসার কে বললেন- আপনি জানেনআপনি কাকে লকাবে ডুকানোর কথা বলতেছেন।।অফিসার ও আজকে একটা মেয়েকে অপমান করেছে। মেয়েটির বাবা আজমল সাহেব এই ছেলের নামে অভিযোগ করেছেন।। তাই একে তুলে আনা হয়েছে।।
বাবা-কারও সম্পর্কে না জেনে আপনি তাকে কিভাবে এরেস্ট করেছেন।।আর আপনি জানেন এই ছেলেটা কে??
অফিসার - না স্যার।।
বাবা- শুনুন ও হচ্ছে ফাহিম গ্রুপের ফিউচার এমডি ওমর ফারুক ফাহিম।। যার কথা আমি সব আলোচনা+ টিভিতেও বলি।।কিন্তু ছবি দেই না।।কারণ- আমার ছেলে এইসব পছন্দ করে না।।সে সাধারণ ভাবে চলাফেরা করতে পছন্দ করে।। নেক্সট টাইম যেন এই ভুল না হয়।।
অফিসার-সরি স্যার আর কখনো এমন ভুল হবে না।।এবারের মতো ক্ষমা করবেন।।
অর্জিনাল লেখকের গল্প পড়তে পেজে লাইক করুন।।।।
https://www.facebook.com/osomapto.writer.fahim/
তারপর আমরা সেখান থেকে বাসায় চলে আসি।।বাসায় এসে ফ্রেশ হয়ে লাঞ্চ করি সবাই একসাথে।। লাঞ্চ করার সময় দেখি খাবার টেবিলে আপু বসে আছে + সবাই।।আমাকে দেখে,,,,,,
আপু বলল- ভাই পুলিশ তকে মারে নি তো।।।
তখন মা বলল-পুলিশ ওকে মারবে কেন???
আপু- মা তুমি কিছু কি জান না।।
মা- কি জানব????
আপু আমার দিকে তাকাল আমার চোখ রাগানো দেখে আপু বলল মা আমি ত মজা করছিলা।
তুমি সত্যিই ভেবে নিয়েছ নাকি।।
সবার সাথে লাঞ্চ করে রুমে গিয়ে দিলাম একঘুম বিকালে সিয়ামের কলে ঘুম ভাংগে।। তারপর উঠে ফ্রেশ হয়ে চলে গেলাম তাদের সাথে আড্ডা দিতে।।গিয়ে দেখি তারা কি নিয়ে যেন মনে হল আলোচনা করছে।।আমি গিয়ে বললাম কি নিয়ে এতো আলোচনা হচ্ছে।।।
সুমন-আরে দেখ সিয়াম বলছে আজকে দুপুরে নাকি তোকে ফাহিম গ্রুপের এমডির গাড়িতে দেখেছে।।
(মনে হয় থানা থেকে আসার পথে গাড়িতে দেখে ফেলেছে,, যে করেই হক মেনেজ করতে হবে)
আমি-আরে এইসব কি বলিস।।আমি এতো বড় কম্পানির মালিকের সাথে।। (হাসির সাথে) মনে হয় ভুল দেখেছিস।।
অর্জিনাল লেখকের গল্প পড়তে পেজে লাইক
সুমন-আমিও কতক্ষণ ধরে এই কথাই বলছি।।
তারপর এভাবেই আমরা অনেক সময় আড্ডা দিই।।
তারপর যে যার বাসায় চলে যাই।।
এভাবেই কেটে যায় ৪ বছর।। আজ আমাদের অনার্স ফাইনাল ইয়ারের শেষ পরীক্ষা। তাই আমরা চার বন্ধু আগে এসে বসে আড্ডা দিচ্ছিলাম।।
তখন সবার পরীক্ষার পরে কে কি করবে জানতে লাগলাম। সবার ইচ্ছা ফাহিম গ্রুপে চাকরি করার।।।।
সবার শেষে আমার পালা এলো আমি বললাম তেমন কিছু করব না।।বাবা মা যা বলবেন তাই করব,,তারপর বললাম -দোস্ত কিভাবে নিধিকে প্রপোজ করা যায়।।।(এই কয় বছরে নিধিকে ভালবেসে ফেলেছি)।।
সিয়াম বলল-গোলাপ নিয়ে হাটু গেরে বসে প্রপোজ করবি।আর কিছু করতে হবে না।।এভাবে আড্ডা দিতে দিতে এক্সামের সময় হয়ে গেল।।
তারপর,,,,,,,,
আপনাদের সাড়া পেলে নেক্সট পর্ব দিব নয়তো দিব না।।
সবাই নিয়মিত নামায আদায় করুন।।।
(বিঃদ্রঃ ভুলট্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন)

Valo
উত্তরমুছুন